Decoration

জেনে নিই রূপচর্চার সেই বহুল ব্যবহৃত প্রাচীন পন্থাগুলো

বর্তমান সময়ে রূপচর্চা মানেই দামি সিরাম, কেমিক্যাল পিল কিংবা ট্রেন্ডি স্কিনকেয়ার রুটিন। অথচ আমাদের ঘরেই এমন অনেক উপাদান আছে, যেগুলো নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক ও চুল নিজের মতো করেই সুন্দর থাকে। একসময় এই ঘরোয়া উপায়গুলোই ছিল সৌন্দর্যচর্চার মূল ভরসা।

আজকের এই লেখায় থাকছে এমন কিছু সহজ কিন্তু কার্যকর ঘরোয়া রূপচর্চার কথা, যেগুলো আজও সমানভাবে প্রযোজ্য।

 

ত্বক পরিষ্কারে চালের গুঁড়া

চালের গুঁড়া প্রাকৃতিক স্ক্রাব হিসেবে কাজ করে। এটি ত্বকের মৃত কোষ দূর করে এবং মুখকে করে পরিষ্কার ও উজ্জ্বল। অল্প চালের গুঁড়ার সঙ্গে গোলাপ জল মিশিয়ে সপ্তাহে ২ দিন ব্যবহার করা যেতে পারে।


দইয়ের ফেসপ্যাক ত্বকের জন্য

দইয়ে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বককে ভেতর থেকে পরিষ্কার করে এবং নরম রাখে। শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বকের জন্য দই একটি দারুণ প্রাকৃতিক সমাধান। শুধু মুখে লাগিয়ে ১০–১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেললেই উপকার পাওয়া যায়।


রোদে পোড়া ত্বকে অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরা জেল ত্বককে ঠান্ডা করে এবং জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে। রোদে পোড়া বা সংবেদনশীল ত্বকের জন্য এটি খুবই কার্যকর। নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক থাকে শান্ত ও হাইড্রেটেড।


ঠোঁটের যত্নে ঘি

ঠোঁট ফাটা বা কালচে হলে রাতে ঘুমানোর আগে সামান্য ঘি লাগানো যেতে পারে। এটি ঠোঁট নরম করে এবং প্রাকৃতিক রঙ ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।

চুল পড়া কমাতে পেঁয়াজের রস

পেঁয়াজের রসে সালফার থাকে, যা চুলের গোড়া মজবুত করে। সপ্তাহে একবার স্ক্যাল্পে লাগিয়ে ১৫–২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেললে চুল পড়া কমতে সাহায্য করে।


ত্বকের আর্দ্রতায় গোলাপ জল

গোলাপ জল প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে কাজ করে। এটি ত্বকের পিএইচ ব্যালেন্স ঠিক রাখে এবং মুখকে ফ্রেশ দেখায়। প্রতিদিন মুখ ধোয়ার পর ব্যবহার করা যেতে পারে।


চুলে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আনতে ডিম

ডিমে থাকা প্রোটিন চুলকে শক্ত ও চকচকে করে। ডিমের সাদা অংশ স্ক্যাল্পে এবং পুরো ডিম চুলে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেললে ভালো ফল পাওয়া যায়।


উপসংহার

সব সময় দামি পণ্যই যে সবচেয়ে ভালো হবে—এমনটা নয়। নিয়মিত যত্ন, সঠিক উপাদান এবং ধৈর্যই সুন্দর ত্বক ও চুলের আসল রহস্য। ঘরোয়া এই সহজ পদ্ধতিগুলো আপনাকে দিতে পারে নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী ফল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *